আমার সম্পর্কে

মুকিত চৌধুরী

আমি মুকিত চৌধুরী, বর্তমানে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছি। দীর্ঘ দিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সাথে যুক্ত ও বর্তমানে লন্ডন মহানগর যুবদল-এর যুগ্ম সম্পাদক-এর দায়িত্ব পালন করছি।

রাজনীতিতে আসার জন্য প্রত্যেকের ভিন্ন কারন থাকে। কিন্তু আমি আমার শৈশব থেকেই বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছি। এবং বাংলাদেশের নামের সাথে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যারা বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে সম্যক ধারনা রাখেন, তারা জানেন বাংলাদেশের সৃষ্টি ও উন্নয়নে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর অসামান্য অবদান রয়েছে। পারিবারিক ভাবেই আমরা ছোটবেলা থেকেই শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর আদর্শ বুকে ধারণ করে বড়ো হয়েছি। এবং তারই ফলশ্রুতিতে রাজনীতিতে আমার ক্ষুদ্র এ অবতরণ। বাংলাদেশে থাকতেই নিজেকে জড়িয়েছিলাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিতে এবং বর্তমানেই তারই ধারাবাহিকতায় লন্ডন মহানগর যুবদলের সাথে যুক্ত রয়েছি।

রাজনীতির পাশাপাশি রাজনীতি, বাংলাদেশের সামাজিক ব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে লেখালেখিও করে থাকি। প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবেই লেখালেখিকে বেঁছে নিয়েছি দীর্ঘদিন আগে। মূলত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর একনায়কতন্ত্র ও এদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পক্ষ নিয়ে প্রতিবাদ করতে গিয়েই লেখালেখি করছি।

জাতীয়তাবাদী রাজনীতি করতে আওয়ামীলীগের রোষানলের শিকার হয়েছিল আমার খুব কাছের কয়জন বন্ধু। মিথ্যা মামলা, অত্যাচার থেকে শুরু করে আর কি হয়নি তাদের সাথে? আমার এই বন্ধুরা হলেনঃ হবিগঞ্জ জেলার ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রুবেল আহমেদ চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আরিফে রাব্বানী টিটু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিবুল রহমান শাওন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান রিঙ্কু। সত্যের পথে পরিষ্কার রাজনীতি করতে গিয়ে তারা শিকার হয়েছেন আওয়ামীলীগের রোষানলের। দীর্ঘ দিন ধরেই তারা আওয়ামীলীগের অত্যাচারের শিকার! সত্যের পথে থাকার কারনে এই বন্ধুদের করুণ পরিণতি দেখে প্রায়শই আমার মন কাঁদে, ভীষণভাবে কাঁদে। তাদের বিরুদ্ধে ঘটে যাওয়া অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেই মূলত আমি কলম ধরি, এবং শুধু মাত্র আমার বন্ধুদের জন্য নয়, বরং আমার পরিচিত/অপরিচিত সকল সহকর্মীদের ওপর ঘটে যাওয়া সকল অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধেও লেখালেখি করছি।

আমি খুব মনপ্রাণে বিশ্বাস করি একদিন আমরা মুক্ত হবো আওয়ামীলীগের এই অন্যায়ের বেড়াজাল থেকে। বাংলাদেশ নামক ছোট্ট এই দেশটাকে সুন্দর করে আবারও সাজাবো নিজেদের মনের মতো করে। যেখানে থাকবে না কোন অন্যায়, কোন অবিচার, ক্রসফায়ার, দুর্নীতি কিংবা ভ্রষ্টাচার। থাকবে শুধু গণতন্ত্র। যেখানে থাকবে অবাধে রাজনীতি করার অধিকার, মত প্রকাশের অধিকার, থাকবে না কোন ভীতি।

জানিনা এমন সময় কবে আসবে। তবে প্রবলভাবে বিশ্বাস করি আমার জীবদ্দশায় এমন দেশ তৈরি করে দিয়ে যেতে পারবো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। আর যত দিন এমন একটি সুন্দর দেশ না তৈরি হয়, ততদিন আমার কলম চলবে। অন্যায়ের, জোচ্চুরি, দুর্নীতি, অপরাধ, বেইমানির প্রতিবাদ করে যাবো আজীবন। আপনারা সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন।